আবু সাঈদ হত্যা মামলায় খালাস চেয়ে ৪ আসামির আপিল
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় খালাস চেয়ে ৪ আসামির আপিল
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি খালাস চেয়ে আপিল করেছেন।


ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ডকুমেন্টারিতে অনেক ভুল আছে। ডকুমেন্টারিতে তো আবু সাঈদের ছবিই নেই। আবু সাঈদ এই বিপ্লবের প্রতীক। তার ছবি ছাড়া জুলাইয়ের কোনো ডকুমেন্টারি হতে পারে না।

শুধু তাই নয়, পাসপোর্টে আবারও ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ যুক্ত করা হয়েছে।

রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে আয়োজিত আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সকালটা শুরু হয়েছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ নিয়ে, কিন্তু রাত নামার আগেই সেই আন্দোলনের ভাষা, গতি ও পরিণতি বদলে যেতে শুরু করেছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি খালাস চেয়ে আপিল করেছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিমের আত্মত্যাগের কারণেই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি কম থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুধু তাই নয়, আন্দোলনের সময় আবু সাঈদের ব্যবহৃত রক্তমাখা টি-শার্ট, প্যান্টসহ গুরুত্বপূর্ণ স্মারকও সংরক্ষণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও প্রতিষ্ঠানটির সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রায় ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে তার বাবা আবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম এ প্রতিক্রিয়া জানান।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড ও বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত।

আবু সাঈদের মেজো ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত আমরা তাদের ফাঁসি চাই। আর যারা পলাতক, তাদের গ্রেপ্তার করে এই রায় দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর করা হবে-এটাই আমাদের চাওয়া।’
